স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশে জনশুমারি, আদমশুমারি, কৃষি শুমারি, অর্থনৈতিক শুমারি সহ একাধিক শুমারি পদ্ধতি চালু থাকলেও তা বাস্তব উন্নয়নের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে না। শুধুমাত্র সংখ্যাতাত্ত্বিক চিত্রের মধ্যে এসব শুমারি সীমাবদ্ধ থেকে যাচ্ছে। বাংলাদেশ গণশক্তি দল মনে করে, এভাবে আলাদা আলাদা শুমারির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কার্যকর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কোনো একীভূত তথ্যসূত্র পাওয়া যাচ্ছে না।
এই বাস্তবতার আলোকে বাংলাদেশ গণশক্তি দল একটি যুগোপযোগী ও সমন্বিত শুমারি ব্যবস্থা প্রবর্তনের দাবি জানিয়েছে — যার নাম “গ্রামশুমারি”। দলটি মনে করে, একটি মাত্র শুমারি হবে, যেটি গ্রামকেন্দ্রিক হবে এবং যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
জনসংখ্যা ও আদমশুমারি
কৃষি উৎপাদন ও খামার তথ্য
অর্থনৈতিক তথ্য ও আয়-ব্যয় চিত্র
বাজার পরিস্থিতি ও দ্রব্যমূল্য
স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক বৈষম্য সম্পর্কিত পরিসংখ্যান
দলের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন:
“দেশে প্রতি ৫ বছর অন্তর বিভিন্ন শুমারির নামে শত শত কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে, কিন্তু তাতে জনজীবনের বাস্তব কোনো পরিবর্তন আসছে না। আমরা বলছি, একটি মাত্র শুমারি হোক — যার নাম হবে ‘গ্রামশুমারি’। এতে সব তথ্য একত্রে থাকবে, এবং এই তথ্য ব্যবহার করে সরকার স্বাস্থ্য, কৃষি, অর্থনীতি, শিক্ষা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারবে।”
গ্রামশুমারি কাঠামো ও প্রস্তাবিত রূপরেখা:
প্রতিটি গ্রামকে উন্নয়ন ও পরিসংখ্যানের প্রাথমিক ইউনিট হিসেবে বিবেচনা
প্রতি তিন মাসে তথ্য হালনাগাদ
স্থানীয় সরকারের অধীনে তথ্য যাচাই ও মনিটরিং
ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলা
তথ্য বিশ্লেষণের জন্য কেন্দ্রীয় পোর্টাল তৈরি
বাংলাদেশ গণশক্তি দল শীঘ্রই জাতীয় পর্যায়ে এই দাবিতে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ, সেমিনার আয়োজন এবং প্রশাসনের নিকট স্মারকলিপি পেশ করবে বলে জানিয়েছে।
Leave a Reply